Dark Mode
  • Sunday, 13 June 2021
অনলাইন আয়ের সকল বিষয়বস্তু। How to earn money Online A to z guid

অনলাইন আয়ের সকল বিষয়বস্তু। How to earn money Online A to z guid

 

তো আজকে কথা বলব অনলাইন থেকে আয় করার সকল বিষয় বস্তু নিয়ে
বর্তমানে অনলাইন ইনকাম অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, এবং পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে সেটা যে কেউ করতে পারে।
অনেকেই জানতে চেয়েছেন অনলাইন থেকে আরনিং করার জন্য কতগুলো সেক্টর হয়েছে। তো আজকে সে সকল বিষয় নিয়ে কথা বলবো, ধৈর্য ধরে আমাদের সম্পর্ণ আর্টিকেলটি পড়ে ফেলুন।

অনলাইন আর্নিং অনেকের কাছে সহজ মনে হলেও এটা অনেকটা কঠিন বিষয় তবে আপনি যদি লেগে থাকতে পারেন এবং ধৈর্য ধরে কাজ করতে পারেন তবে আপনিও অনলাইন থেকে হিউজ পরিমান টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
আমরা সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নগুলো পেয়েছি সেটা হচ্ছে মোবাইল থেকে কিভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায়, তো বলা যেতে পারে মোবাইল থেকে ইনকাম করাটা অনেক কঠিন ব্যাপার বা করা যায় না বললেও চলে।
হ্যাঁ আপনি পারবেন মোবাইল থেকে ইনকাম করতে, কয়েকটা সেক্টর আছে সেখান থেকে কিছুটা ইনকাম করতে পারবেন তবে সেটা খুবই কম।
তাই আপনাকে মোবাইল থেকে ইনকাম করার চিন্তা বাদ দিতে হবে।
তারপরও আমি কয়েকটি প্ল্যাটফর্মের কথা বলতেছি মোবাইল থেকে ইনকাম করার-
প্রথম হচ্ছে ক্যাপচা, কমপ্লিট করার মাধ্যমে আপনি কিছুটা ইনকাম করতে পারবেন।
দ্বিতীয় হচ্ছে, ছোট ছোট আর্টিকেল লিখে।
তৃতীয় হচ্ছে, ব্লগিং করতে পারেন এবং মোবাইল দিয়ে ইউটিউব এর জন্য ভিডিও মেকিং করেও ইনকাম করতে পারবেন।

তো মূল আলোচনায় যাওয়া যাক, যদি আপনার ইচ্ছা হয় আপনি প্রফেশনালভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করবেন তবে আপনার যা যা লাগবে তা হচ্ছে:

  1. ইন্টারনেট সংযোগ
  2. ল্যাপটপ, ডেক্সটপ
  3. এবং সময় ও ধৈর্য

এগুলো হলেই আপনি মোটামুটি ভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করার রাস্তা ধরতে পারবেন।
অনলাইনে ইনকামের জন্য অনেকগুলো সেক্টর আছে তার মধ্যে আপনি যে সেক্টরে কাজ করবেন সে সে সেক্টরটা নির্ধারণ করতে হবে নিচে কিছু ইনকাম সেক্টর তুলে ধরা হলো:

  • ফ্রিল্যান্সিং
  • এফিলিয়েট
  • ই-কমার্স
  • এফ কমার্স
  • ব্লগিং
  • ইউটিউবিং

ফ্রিল্যান্সিং

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মুক্ত পেশা, যেখানে আপনি আপনার ইচ্ছা মত কাজ করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কাজ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই কাজ জানা রাখতে হবে অথবা কোন একটি আইটি সেন্টার থেকে কাজ শিখে তারপর এখানে কাজ করতে হবে।
এখানে আপনি ফটো এডিট থেকে শুরু করে অ্যানিমেশন, গ্রাফিক্স, আর্টিকেল রাইট, ব্যানার ডিজাইন, ওয়েবসাইট ডিজাইন, মার্কেটিং, ওয়েবসাইট মার্কেটিং, ওয়ার্ডপ্রেস মার্কেটিং, ভিডিও এডিটিং, ক্যাপচা সলভ, ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন, টি-শার্ট ডিজাইন ইত্যাদি আরো প্রচুর পরিমাণ ক্যাটাগরিতে আপনি কাজ করতে পারেন। সুতরাং এখানে আপনি যে ক্যাটাগরি অনুযায়ী কাজ করবেন সেটা প্রফেশনালভাবে শিখে তারপর বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারবেন । এখানে উল্লেখযোগ্য মার্কেটপ্লেস গুলো হচ্ছে freelancer.com, upwork.com, fiverr.com, peopleperhour.com ইত্যাদি।

এফিলিয়েট মার্কেটিং:

এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করা। কিন্তু এটা সরাসরি নিজের কোনো পণ্য না, বড় বড় কোম্পানি, ই-কমার্স ওয়েবসাইটের পণ্য আপনার লিংক শেয়ার করে বিক্রি করা। সহজভাবে বলতে গেলে একটি প্রোডাক্ট একটি কোম্পানি বিক্রি করবে সেটা যদি আপনার মাধ্যমে বিক্রি হয় বা আপনার লিংকের মাধ্যমে বিক্রি হয় তবে আপনি সেখান থেকে কিছুটা কমিশন পাবেন।
এর জন্য আপনাকে কোন প্রকার অর্থ খরচা করতে হবে না, আপনি চাইলে যেকোনো ই-কমার্স কোম্পানির সাথে আপনি এফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ যুক্ত হতে পারেন, এবং সেখান থেকে আপনার পছন্দের পণ্য নির্বাচন করে সেই পণ্যের লিংক বিভিন্ন জায়গায় শেয়ার করে আপনি আয় করতে পারেন। যেমন ধরুন আপনার একটি বড় ফেসবুক গ্রুপ অথবা পেজ আছে সেখানে আপনি আপনার কাঙ্খিত পণ্যের লিংক শেয়ার করলেন, এবং সেখান থেকে কোনো ক্রেতা আপনার লিংকে ক্লিক করে পণ্যটি কিনলো তবে আপনি পণ্যের মূল্যের উপর ডিপেন্ড করে একটা কমিশন পাবেন। অথবা আপনার যদি কোন ওয়েবসাইট থাকে সেখানে এফিলিয়েট অ্যাড যুক্ত করে বা একটা পণ্যের বিস্তারিত রিভিউ লিখে সেটাতে এফিলিয়েট লিংক যুক্ত করে দিতে পারেন। সেখান থেকেও যদি কেউ আপনার কাংখিত পণ্যটি কিনে তবে আপনি ভালো পরিমাণ ইনকাম করতে পারবেন। আমি মনে করি এফিলিয়েট মার্কেটিং অনেকটা সহজ ভাবে আয় করার সুযোগ দিচ্ছে। অতএব আপনি চাইলে aliexpress.com, amazon.com, banggood.com এছাড়াও অনেক বড় বড় কোম্পানি আপনাকে এই সুযোগটি দিচ্ছে।

ই-কমার্স:

ই-কমার্স মনে হচ্ছে অনলাইনে পণ্য কেনাবেচা করার একটা মাধ্যম। অর্থাৎ যেকোনো পণ্য অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করাকে ই-কমার্স বলে। ই কমার্সের জন্য আপনার প্রথম অবস্থায় একটা ই-কমার্স ওয়েবসাইট অথবা অ্যাপস প্রয়োজন হবে, একটা ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাতে আপনাকে সামান্য পরিমাণ খরচা করতে হবে। এবং সেটার জন্য কিছুদিন মার্কেটিং করতে পারলে আপনি খুব সহজেই অনলাইন  বিজনেস স্টার্ট করতে পারবেন। ভয় পাওয়ার কিছু নেই আপনার যদি পণ্য না থাকে তবে আপনি আপনার পাশের যে কোন মার্কেটে যোগাযোগ করে তাদের কাছ থেকে পাইকারি পণ্য নিয়ে ডেলিভারি করতে পারবেন খুব সহজেই ,এতে করে যে আপনাকে পণ্য দিবে তারও লাভ হবে আপনারো লাভ হবে । যদি দেখা যাচ্ছে আপনার কাস্টমার বাড়তেছে এরপর আপনি কিছু টাকা ইনভেস্ট করে নিজেই ই-কমার্স বিজনেস করতে পারবেন।

এফ কমার্স:

এফ কমার্স হচ্ছে ফেসবুক মার্কেটিং। সুতরাং আমরা দেখতে পাই ফেসবুকের মাধ্যমে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিক্রি করছে এটাকে মূলত এফ কমার্স বলে। এফ কমার্স এর মাধ্যমে আপনি সফলতা পেতে পারেন খুব সহজেই। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে ফেসবুক আপনাকে ফেসবুক মার্কেটিং করার জন্য ফ্রিতেই অনেক সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে। আপনি চাইলে এখন থেকে একটি পেজ ওপেন করে অথবা গ্রুপ ওপেন করে এফ কমার্স শুরু করতে পারেন। পেজ অথবা গ্রুপ যদি নাও পারেন নিজের আইডি থেকেও এটা করতে পারবেন শুধু প্রয়োজন মনোবল ধৈর্য। আমি মনে করি এফ কমার্স অনেক সহজ এবং খুব কম ইনভেস্ট এর মাধ্যমেই এটা করতে পারবেন।

ব্লগিং:

ব্লগিং একটি স্মার্ট পেশা, অর্থাৎ এখানে আপনি লেখালেখি করে অনেক পরিমান ইনকাম করতে পারবেন। বর্তমান বিশ্বে ব্লগিং একটি আয় করার সেরা মাধ্যম, আপনি চাইলে  blogger.com অথবা wordpress.com এ সামান্য কিছু খরচের মাধ্যমে ওয়েব সাইট তৈরী করে নিতে পারেন এবং সেখানে নিজের লিখিত বিভিন্ন আর্টিকেল পাবলিশ করে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন।আর হ্যাঁ আপনি যদি blogger.com একটা ওয়েবসাইট খুলেন তবে আপনি পুরোপুরি ফ্রিতেই একটা ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন। তবে যদি এটাকে প্রফেশনাল ভাবে নেন সে ক্ষেত্রে একটা ডোমেইন কিনে নিবেন। এরপর ব্লগ ওয়েবসাইট টি সুন্দরভাবে সাজিয়ে আর্টিকেল লেখা শুরু করে দিন এবং গুগলের নিয়ম নীতি অনুসরণ করুন দেখবেন গুগোল নিজেই আপনাকে ইনকামের একটা সিস্টেম করে দেবে।ব্লগিং নিয়ে আমাদের ওয়েবসাইটে বেশ কয়েকটি আর্টিকেল আছে তা পড়ে ফেলতে পারেন এখানে ক্লিক করুন→

ইউটিউব:

বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে ইউটিউব। এখানে প্রতিদিন হিউজ পরিমান ভিডিও আপলোড হয়। তো আপনিও যদি ভালো ভিডিও মেকিং করতে পারেন তবে আপনি চাইলে প্রতিমাসে বিগ অ্যামাউন্ট আয় করতে পারবেন। ইউটিউব গুগলের একটা প্ল্যাটফর্ম, এখানে আপনি নিজে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে কাজ করে সফলতা পেতে পারেন। মনে রাখবেন বর্তমানে ইউটিউবে প্রচুর পরিমাণ প্রতিযোগিতা চলছে, তবে এখানে সবাই টিকতে পারেনা আপনি যদি নিজের তৈরি যেকোনো ধরনের কনটেন্ট আপলোড করে ইউটিউব মনিটাইজেশন পেয়ে যান তবে এটা হবে আপনার জন্য সোনার হরিণ। আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার হন তবে ইউটিউব আপনার জন্য আরেকটি আরেকটি সেক্টর যেখানে আপনি আপনার কাজের স্ক্রিন রেকর্ড গুলো আপলোড করেন তবুও এটা আলাদা একটা ইনকাম সোর্স হয়ে দাঁড়াবে আপনার জন্য। তাছাড়া আপনি যেকোন নিস নিয়ে ইউটিউবিং করতে পারেন।

মনে রাখবেন অনলাইন ইনকাম ব্যাপারটা খুবই কঠিন এবং খুবই সহজ অর্থাৎ আপনি যদি একবার সঠিক গাইডলাইন পেয়ে যান তবে আপনাকে সামনে এগোতে কেউ বাধা দিতে পারবে না। তাই যেকোনো কাজই করেন না কেন সেটা মন থেকে করবেন এবং প্রচুর পরিমাণ ধৈর্য রাখবেন তবেই আপনি সফলতার শীর্ষ প্রান্তে পৌঁছাতে পারবেন।

আজ এই পর্যন্ত শেষ করছি পরবর্তীতে নতুন কোন আর্টিকেল নিয়ে আপনাদের সাথে কথা হবে সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন, আর হ্যাঁ অবশ্যই অবশ্যই নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন।
আইসিটিমেলা ডটকম এর সাথে থাকার জন্য অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ

comment / Reply From

archive

please_select_a_date