SEO বা ইনডেক্সিংয়ের জন্য ব্লগস্পট বা ব্লগার সাবডোমেন কোনটা ভাল?

Please log in or register to like posts.
পোস্ট

ব্লগার গুগলের একটি নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি চাইলে নিজের লেখাগুলি প্রকাশ করতে এবং এখান থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

এই সমস্ত কার্যক্রম একদম ফ্রিতেই করতে পারবেন। আপনি এটা একটি গুগল অ্যাকাউন্ট (জিমেইল) দিয়েই ব্যবহার করতে পারবেন। এটি ইউটিউবের মতোই একটি গুগলের স্ব-হোস্টেড প্ল্যাটফর্ম। ইউটিউবে যেমন ভিডিও পাব্লিশ করতে পারেন তেমনি আপনি ব্লগারে আপনার ভিডিও প্রকাশ করতে পারবেন এবং আপনি ব্লগ পোস্ট হিসাবে আপনার ব্লগ সাইটে আপনার আর্টিকেল প্রকাশ করতে পারবেন। এটি ব্যবহারকারীদের প্রতিটি ব্লগের জন্য একটি সাবডোমেন সহ একটি ব্লগ সাইট ফ্রিতেই দিয়ে থাকে। একটি গুগল অ্যাকাউন্টে একজন ব্যবহারকারী প্রায় ১০০ টি ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারে।ব্লগার একটি পুরানো প্লাটফর্ম এবিং সিএমএস থাকা সত্ত্বেও এর সকল কিছুই এবং ইন্টারফেস অনেক বেশি ইউজার ফ্রেন্ডলি। ব্লগারের প্রতিটি সিটিং বা অন্যান্য সকল কিছু ব্যবহারকারীদের খুবই সহজ। গুগলের প্রায় প্রতিটি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://googleblog.blogspot.com এর মতো ব্লগার দ্বারা হোস্ট করা হয়। সুতরাং এটি খুব জনপ্রিয় এবং বিশ্বব্যাপী অনেক বেশি ব্যবহৃত হয়। ফ্রি গুগলের ব্লগার ব্যবহার করে অনলাইনে কীভাবে অর্থউপার্জন করা যায় সে সে বিষয়ে আমাদের সাইটে অনেক পোস্ট আছে আপনি চাইলে দেখে নিতে পারেন।

ব্লগস্পট বা ব্লগার সাবডোমেইনএসইও

ব্লগারের ফ্রি সাবডোমেন – abc.blogspot.com এটা।

অর্থ ব্যয় না করে ডোমেইন না কিনেও আপনি এই সাবডোমেন দিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। তবে সাবডোমেনের কিছু বাধা রয়েছে। আপনি জানেন ব্লগার গুগলের একটি প্লাটফর্ম। সুতরাং এটি সত্য যে আপনার ওয়েবসাইটটিকে র‍্যাংক করতে গুগল ই যথেষ্ট তবে অন্যান্য যে সকল সার্চ ইঞ্জিন আছে সেগুলোতে র‍্যাংক নাও হতে পারে। তবে বর্তমানে ইন্টারনেটের পুরো ৯৫% সার্চ গুগল দখল করে রেখেছে। সুতরাং আপনি এক্ষেত্রে নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন।

আবার, ব্লগারের সাবডোমেনের ওয়েবসাইট গুলো সাধারণত গুগলে এমনকি অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনগুলিতে স্ক্রল করা এবং ভিউ করতে অনেক সময় নিয়ে থাকে। কখনও কখনও এটি কয়েক সপ্তাহ, থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত সার্চ ইঞ্জিন ফলাফলের পেজে এড করতে সময় নিয়ে থাকে। তবে একটি কাস্টম ডোমেইন এই ধরণের সমস্যার হার কমাতে পারে।

আপনি আপনার পোস্টকে গুগলে সাবমিট করতে সার্চ ইঞ্জিন ওয়েবমাস্টার বা গুগল সার্চ কন্সোলে এড করতে পারেন। গুগলে ইউআরএল সাবমিট করে এবং বিং এ ইউআরএল এবং পোস্টের লিংক সাবমিট করার মাধ্যমে আপনি এটি করতে পারেন।

সাবডোমেন থাকার একটি বড় সমস্যা হল আপনি নিজের ওয়েবসাইটটি ম্যানুয়ালি বা সরাসরি অ্যাডসেন্স প্রোগ্রামে এপ্লাই করতে পারবেন না আর পারলেও রিজেক্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যতদিন পর্যন্ত না ব্লগার সিটিং ট্যাবে অ্যাডসেন্স থেকে ইনকামের অপশন না আসবে ততদিন পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে। যদি আপনার একটি কাস্টম ডোমেন থাকে তবে আপনি সরাসরি অ্যাডসেন্সে আপনার ওয়েবসাইট এপ্লাই করতে পারবেন।

কখনও কখনও ব্লগস্পট সাবডোইমেন আপনার ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা কমিয়ে দিতে পারে কারণ এটি ফ্রি এবং ডোমেইনের ওয়ার্ড বড় হওয়ার কারনে লিখতেও সময় বেশি লাগে। এটি একদম ফ্রি হিসাবে অনেকে তাদের প্রতারণামূলক বা খারাপ কাজে ব্যবহার করে থাকে। সুতরাং আপনার যদি কোনও ব্লগ সাইট থাকে এবং নির্দিষ্ট পরিমান ভিজিটর থাকে তবে আপনি এটি ব্যবহার করতে পারেন।

ব্লগার যেহেতু গুগলের নিজস্ব প্লাটফর্ম, তাই এটি খুব সহজেই গুগল প্রথম ফলাফল পেজে দশটি ভিন্ন ওয়েবসাইটের ফলাফলের মধ্যে একটি ব্লগস্পট সাইট দেখানোর চেষ্টা করে।

Reactions

1
0
0
0
0
0
Already reacted for this post.

যারা পছন্দ করেছে!

২ comments on “SEO বা ইনডেক্সিংয়ের জন্য ব্লগস্পট বা ব্লগার সাবডোমেন কোনটা ভাল?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *